ভ্যানচালককে কুপিয়ে ভ্যান-ফোন ছিনতাই, তিনজন গ্রেপ্তার
চারঘাটে এক ভ্যানচালককে ছুরিকাঘাত ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ব্যাটারিচালিত ভ্যান, স্মার্টফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৫। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গভীর রাতে বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. জহিরুল ইসলাম (৩০), মো. শহিদুল ইসলাম (৪২) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)। এসআরবি-৫-এর দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
এসআরবি-৫ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে চারঘাটের শিশাতলায় ভ্যানচালক তফিকুল ইসলাম (৫০) দুই যাত্রীকে নিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দুই যাত্রী তাঁকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন এবং হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। পরে তাঁর ব্যাটারিচালিত ভ্যান, একটি স্মার্টফোন ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে চারঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা দুজনকে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩৯৪ ধারায় ডাকাতির মামলা করেন। ঘটনার পর এসআরবি-৫ ছায়াতদন্ত শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাত ১টা ৩০ মিনিটে বাঘার মীরগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আলমগীর হোসেন এবং ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে টুটুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-৫-এর ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার জহিরুল ছিনতাই ও চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে আটটি মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
গ্রেপ্তার তিনজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চারঘাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ. স. ম. আব্দুন নূর বলেন, আটক তিনজনকে চারঘাটের ভ্যান ছিনতাইয়ের মামলায় এবং তাঁদের মধ্যে একজনকে বাঘা থানার ভ্যান ছিনতাইয়ের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।