কারখানা বন্ধের পর উত্তরা ইপিজেডে সংঘর্ষ, শ্রমিক নিহত

সোনার দেশ ডেস্ক :
নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে ছাঁটাই এবং কারখানা বন্ধের জেরে বিক্ষোভের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে ইপিজেডের এভারগ্রিন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভের পর এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
নিহত হাবিবুর রহমান ইকু ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি নিটিং কারখানার শ্রমিক ছিলেন। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়ের কাজীরহাট গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে।
গুরুতর আহত পাঁচজনকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীরুল ইসলাম বলেন, “আমাদের এখানে মোট ছয়জনকে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে হাবিবকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো ইপিজেড এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিলেও নীলফামারী-সৈয়দপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইপিজেডের ভেতরে কারখানা মালিকদের সঙ্গে সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তারা।
নীলফামারীর ৫৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম বদরুদ্দোজা বলেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো ধরনের মব সৃষ্টির সুযোগ নেই। প্রশাসনিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। ইপিজেডের সকল কারখানা আপাতত বন্ধ রয়েছে।”- বিডিনিউজ