পার্বতীপুরে পূজা দেওয়া নিয়ে বিরোধ, শাবলের আঘাতে গৃহবধূ নিহত, স্বামী গ্রেপ্তার
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে মনসা মন্দিরে পূজা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের জেরে ফাল্গুনী রানী (১৯) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার মন্মথপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী কনক রায়কে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে নারায়ণপুর গ্রামের মনসা মন্দিরের সামনে পূজা দেওয়া নিয়ে ফাল্গুনী রানী ও তাঁর স্বামী কনক রায়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কনক রায় শাবল দিয়ে ফাল্গুনীকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত ফাল্গুনী রানী নারায়ণপুর গ্রামের নবকান্ত রায় ও বাসন্তী রানী দম্পতির মেয়ে। তিনি একই গ্রামের সরিষা রানীর ছেলে কনক রায়ের স্ত্রী। তাঁদের পাঁচ মাস বয়সী কণিকা রানী রায় নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে ফাল্গুনীর বাবার বাড়ির স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পাঁচ মাস বয়সী শিশুকন্যাকে রেখে ফাল্গুনীর মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহতের স্বামী কনক রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।