বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত, সর্বনিম্ন ২১.২ ডিগ্রি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৩ অপরাহ্ন জাতীয়
পঞ্চগড় প্রতিনিধি ১০ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৩ অপরাহ্ন
তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত, সর্বনিম্ন ২১.২ ডিগ্রি

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। দিনের বেলায় গরম অনুভূত হলেও সকাল ও রাতের দিকে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া বিরাজ করছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে, শনিবার (১০ অক্টোবর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


তাপমাত্রার এমন তারতম্যে তেঁতুলিয়ায় দিন ও রাতের আবহাওয়ায় কিছুটা ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। দিনের বেলায় সূর্যের তাপে গরম অনুভূত হলেও সকাল ও রাতের দিকে তুলনামূলক আরামদায়ক পরিবেশ অনুভূত হতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে তাপমাত্রার ওঠানামা স্থানীয় আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।


পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া দেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা হওয়ায় আবহাওয়ার পরিবর্তনের বিষয়টি প্রায়ই আলোচনায় আসে। বিশেষ করে শীতের আগমনী সময়ে এ অঞ্চলের তাপমাত্রার পরিবর্তনের দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নজর থাকে। তবে বর্তমানে তাপমাত্রার যে পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে, তাতে দিনের গরম ও সকাল-রাতের তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক আবহাওয়ার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হচ্ছে।


স্থানীয়ভাবে আবহাওয়ার এমন পরিবর্তনের কারণে দিনের বিভিন্ন সময়ে তাপমাত্রার অনুভূতিতেও ভিন্নতা দেখা দিতে পারে। দিনের বেলায় বাইরে কাজ করা মানুষের কাছে গরম বেশি অনুভূত হলেও সকাল ও রাতের দিকে পরিবেশ তুলনামূলক আরামদায়ক মনে হতে পারে। এ সময়ে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলাফেরা ও দৈনন্দিন কাজকর্ম করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।


তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিন্দ্রেনাথ রায় তাপমাত্রার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শুক্রবার তেঁতুলিয়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর আজ ১০ অক্টোবর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেঁতুলিয়ায় বর্তমানে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রার পরিস্থিতি কেমন থাকে, সেদিকে নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।